প্রতিদিন শ্যাম্পু দিয়ে গোসল, হাজার কেজি ওজনের ‘নবাবে’র দাম ৯ লাখ

0
274
Spread the love

ময়মনসিংহের ত্রিশালে প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করা বিশালদেহী ষাঁড় ‘নবাব’। কোরবানির হাটে পোষ্যটিকে বিক্রির জন্য নামিয়েছেন খাইরুল বাশার নামের এক ব্যক্তি। তিনি দাম চাইছেন ৯ লাখ টাকা। তবে কাঙ্খিত মূল্য না পাওয়াই নিজ ফার্মের নবাবকে এখনো বিক্রি করেননি বাশার।

ত্রিশাল উপজেলার সদর ইউনিয়নের কোনাবাড়ী গ্রামের খাইরুল বাশার শখ করে তিন বছর আগে ফিজিয়াম শাহী জাতের একটি গাভী ক্রয় করেন। ওই মা গাভীটি গত তিন বছরে তিনটি ষাড় বাছুর জন্ম দেন। তখন থেকেই একটি ষাড় বাছুরের নাম তিনি শখ করে রাখেন ‘নবাব’।

তিন বছরে পরম মমতায় লালন-পালন করেন ষাড় বাছুর ‘নবাব’কে। একটি গাভী কয়েকটি বাছুর জন্ম দেয়, সঙ্গে আরও কয়েকটি যোগ করে গড়ে তুলেন বাশার ডেইরি ফার্ম নামক একটি প্রতিষ্ঠান।

খাইরুল বাশার জানান, নবাবকে দেশীয় প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করা হয়েছে। তার খাবারের মধ্যে রয়েছে ভূসি, ছোলা, ধানের কুঁড়া, খড় ও ঘাস। এ ছাড়া মাঝে মধ্যে বিচি কলাও খাইয়েছেন। আর প্রতিদিন গোসল করানো হয় শ্যাম্পু দিয়ে। তিন বছর বয়সী নবাবের ওজন বর্তমানে প্রায় এক হাজার কেজি অর্থ্যাৎ ২৫ মণ।

এবার কোরবানিতে এ উপজেলায় নবাব’ই সবচেয়ে বড় কোরবানির পশু বলে দাবি করছেন বাশার ডেইরি ফার্মের মালিক খাইরুল বাশার।

নবাবের চিকিৎসক ডা. আব্দুল হামিদ জানান, নবাবকে কোনো প্রকার ক্ষতিকর ওষুধ সেবন করিয়ে মোটাতাজাকরণ করা হয়নি। তাছাড়া খুব একটা রোগ বালাই ছিল না ষাঁড়টির শরীরে।

সরেজমিন শনিবার উপজেলার সদর ইউনিয়নের কোনাবাড়ী ‘বাশার ডেইরি ফার্মে’ গিয়ে দেখা যায়, দুটি সিলিং ফ্যানের নিচে রাখা হয়েছে নবাবকে। প্রচণ্ড তাপদাহের কারণে তার গায়ে কিছুক্ষণ পরপরই ছিটানো হচ্ছে পানি।

কাঙ্খিত মূল্য না পেলে বিশালদেহী নবাবকে গাবতলী কোরবানির পশুরহাটে নেবেন বলেও জানান মালিক বাশার।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here