প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আগামী সপ্তাহে রাজধানী ঢাকার জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতাল, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি হাসপাতাল এবং জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (নিটোর) হাসপাতালে চালু হচ্ছে সন্ধ্যাকালীন বহিঃবিভাগ সেবা।

পর্যায়ক্রমে দেশের সব সরকারি মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, জেলা, উপজেলা হাসপাতালে সরকার সন্ধ্যাকালীন বহিঃবিভাগ সেবা চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সেবার নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইনস্টিটিউশনাল প্র্যাকটিস’।

গত ১২ নভেম্বর এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। এই সেবা চালু হলো। সারাদেশে এ সেবা চালু হলে দরিদ্র রোগীরা সুচিকিৎসা পাবেন। ইনস্টিটিউশনাল প্র্যাকটিসের ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা পাবেন ৮০ ভাগ টাকা, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পাবে ২০ ভাগ টাকা।

জানা গেছে, সরকারি হাসপাতালে সব ধরনের প্যাথলজিক্যাল পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু এক শ্রেণির চিকিৎসক কমিশনের লোভে রোগীদের সরকারি হাসপাতালের আশপাশে গড়ে ওঠা বেসরকারি প্যাথলজিক্যাল ক্লিনিক কিংবা হাসপাতালে পরীক্ষার জন্য পাঠিয়ে দেন। এই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে গিয়ে অনেক দরিদ্র রোগী সর্বস্বান্ত হয়ে যাচ্ছে।

এদিকে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চিকিৎসকরা আন্তরিক হলে সন্ধ্যাকালীন বহিঃবিভাগ সেবা সারাদেশে চালু করে কাঙ্ক্ষিত ফল লাভ করা সম্ভব। বিশেষ করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে রোগীরা অনেক বেশি উপকৃত হবেন। তারা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সেবা সহজে পাবেন।

সরকারি হাসপাতালে রোগীদের খরচও কম পড়বে। দরিদ্র রোগী, যারা জটিল রোগ নিয়ে আসেন, তাদের আর ব্যর্থ মনে ফিরে যেতে হবে না। তারা সরকারি হাসপাতালেই সরাসরি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সেবা নিতে পারবেন। একই সঙ্গে বিকালের পর থেকে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসক না থাকার অভিযোগও ঘুচবে।

Leave a Reply