সংঘাত-অনিয়মে শেষ ভোটগ্রহণ, চলছে গণনা

চতুর্থ দফার পৌরসভা নির্বাচন
Spread the love

প্রথমবার্তা২৪.কম ডেস্ক: ভোটকেন্দ্র দখল, গুলি, হত্যা, ভোটকেন্দ্রে হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা, ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেওয়া, কেন্দ্রে ব্যাপক বহিরাগতের অনুপ্রবেশ ইত্যাদি ভয়াবহ অভিযোগের মধ্য দিয়ে শেষ হলো চতুর্থ দফার পৌরসভা নির্বাচন। এখন চলছে গণনা।

রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টায় দেশের ৩৪ জেলার ৫৫টি পৌরসভায় ভোটগ্রহণ শুরু করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিরতিহীনভাবে যা চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

ভোট শুরুর পর সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে সংঘাতময় পরিস্থিতি। এছাড়া ভোট কারচুপিসহ ওঠে নানা নির্বাচনী অনিয়মের অভিযোগও। বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থীরা বিভিন্ন পৌরসভা নির্বাচন বর্জনের ঘোষণাও দেন। কাউন্সিলর প্রার্থীরাও থেমে থাকেননি। বিভিন্ন জায়গায় হানাহানিতে লিপ্ত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। এতে অন্তত একজন নিহত হয়েছেন।

নির্বাচনী পৌরসভাগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, চট্টগ্রামের পটিয়ায় কাউন্সিলর প্রার্থীদের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আব্দুল্লাহ নামে নিহত ওই ব্যক্তি ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মান্নানের ভাই।

এদিন ৫৫টি পৌরসভার মধ্যে ২৯টিতে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে এবং ২৬টিতে ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ করে নির্বাচন কমিশন। মাঠে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য ব্যাপক সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন করেও সংঘর্ষ এড়াতে পারেনি ইসি।

নির্বাচনে ৭৯৩টি ভোটকেন্দ্র ও ৪ হাজার ৮৮৭টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ করলো ইসি। এ নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়েছেন ১৬ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭ জন ভোটার। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ৮ লাখ ৪২ হাজার ৯৪৫ জন ও নারী ভোটার ৮ লাখ ৪৪ হাজার ১৫২ জন।

২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর প্রথম ধাপে ২৪টি পৌরসভায় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দেশের পৌরসভাগুলো ভোটগ্রহণ শুরু করে ইসি। এরপর দ্বিতীয় ধাপে ১৬ জানুয়ারি ৬১ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় ধাপে গত ৩০ জানুয়ারি ৬৪ পৌরসভায় ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করে ইসি। আর ৩১টি পৌরসভায় পঞ্চমধাপে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here