prothombarta24

শুধু পেঁয়াজ নয়, দাম বেড়েছে এলাচ ভোজ্য তেল, মসুর ডাল ও চিনিসহ কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের। গত এক মাসে সোয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা, ডালের দাম বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা। এছাড়া চিনির দাম বেড়েছে ৮ থেকে ১০ টাকা।গত ১ মাসের ব্যবধানে মসলা জাতীয় পণ্যটির দাম বেড়েছে দ্বিগুণ। আর এক বছরে তা বেড়েছে তিনগুণ।

কয়েকটি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতিকেজি এলাচ খুচরা পর্যায়ে বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকায়। যা এক বছর আগেও বিক্রি হয় দেড় থেকে ২ হাজার টাকার মধ্যে। এই হিসেবে এক বছরের ব্যবধানে দাম বেড়েছে প্রায় ৪ হাজার টাকা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এলাচ বিদেশি পণ্য। আর্ন্তজাতিক বাজারে দাম বাড়ছে। ফলে ধাপে ধাপে এর সরবরাহ কমছে। এ কারণে প্রতিদিনই দাম বাড়ছে। এবং দাম বাড়ার এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে বলে মন্তব্য তাদের।

সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্যেও দেখা গেছে, এলাচের দামের এই উল্লম্ফন।

প্রতিষ্ঠানটির ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্যমতে, এক বছর আগে এলাচের কেজি ছিল ১৫৫০-২০০০ টাকা। লাফিয়ে দাম বেড়ে রোববার পণ্যটির কেজি বিক্রি হয়েছে ৬ হাজার টাকায়। অথচ এক সপ্তাহ আগেও এর দাম ছিল সর্বোচ্চ ৪ হাজার ৬শ টাকা। আর এক মাস আগে ছিল ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকার মধ্যে।

টিসিবির তথ্য বলছে, এক বছরে সোয়াবিন (লুজ) তেলের লিটারপ্রতি দাম বেড়েছে ১৩ টাকা আর পাম ওয়েলের দাম বেড়েছে ২০ টাকা। এছাড়া মসুর ডালের দাম ৫ থেকে ২৫ টাকা, চিনির দাম ১০ থেকে ১৪ টাকা বেড়েছে।

ব্যবসায়ীরা বলেন, আসলে দাম কমা বা বাড়ার বিসয়টি সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে আমদানিকারকদের উপর। তারা দাম বাড়ালে পাইকারদেরও বাড়াতে হয়। অনুলিখন সানজীদা

Leave a Reply