ভুমি অফিসের দুর্নীতি পাসপোর্ট অফিস কেও হারমানিয়েছে

0
42
Spread the love
ভুমি অফিসের দুর্নীতি পাসপোর্ট অফিস কেও হারমানিয়েছে
ভুমি অফিসের দুর্নীতি পাসপোর্ট অফিস কেও হারমানিয়েছে

ভোলার লালমোহন উপজেলার পৌর ভূমি অফিস দুর্নীতির আখড়ায় পরিণত হয়েছে। টাকা না দিলে নিষ্পত্তি হয় না কোনো কাজ। ফাইল ঝুলে থাকায় হয়রানির শিকার হচ্ছেন এই উপজেলার লাখো মানুষ। অফিস সহকারী ও নাজির আসাদুল ইসলাম রনি স্থানীয় এলাকার হওয়ায় পুরো অফিস তার দখলে। তিনি আসার পর থেকেই মূলত হয়রানি আরও বেড়েছে। বিভিন্ন নামজারির জন্য ৫০০০ টাকার কম দিলে সেই নথি পরে থাকে মাসের পর মাস। পৌর এলাকার মোঃ এনায়েত হোসেন জানান তার নামজারীর জন্য৪০০০ টাকা দিয়েছেন এবং একই তারিখে জনাব হারুন ৬০০০টাকা দিয়েছে। কিন্তুু সকল রিপোর্ট কমপ্লিট করে ৩০দিন এর মধ্যে নামজারী হাতে পান জনাব হারুন, অপরদিকে মোঃ এনায়েত হোসেন ২৯/০৬/২০২০ ইং তারিখে আবেদন করেও আজও

নামজারী হাতে পাননি। অহেতুক মাসের পর মাস পড়ে থাকলেও নামজারী নথি রিপোর্ট করাননা এই কর্মকর্তা। তার এই খামখেয়ালিতে জিম্মি হয়ে আছে এ এলাকার হাজারো মানুষ। উপর মহল্লায় মোটা অংকের টাকা দিয়ে বার বার ফিরে আসেন নিজ এলাকার ভুমি অফিসে।সাধারণ মানুষ জমির কোনো খতিয়ানের জন্য ভূমি অফিসে গেলেই প্রতিটি খতিয়ান ফটোকপি করে ১০০-২০০ টাকা প্রতি খতিয়ানে নেন বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা। একটু সেবার জন্য সাধারণ মানুষ আসে টাকা না দিলে ছুটে চলতে হয় এই অফিসের এ টেবিল সে টেবিল। মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে সকল কাজ খুব তারাতারি হয়। অর্থের পরিমাণ কম হলেই উস্ক মেজাজ ও খারাপ ব্যবহার। এভাবে হয়রানির কারণে সাধারণ মানুষ ওই ভূমি অফিসের প্রতি মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। খতিয়ানের নামজারি, মিস কেস ও হাল দাখিলা সরকার নির্ধারিত তালিকার ১০ গুণ বেশি টাকা আদায় করা হয়। টাকা না দিলে কোনো ফাইল নড়ে না। দিনের পর দিন এ অফিসের সহকারী ও নাজিরদের কাছে ধরনা দিতে হয়। এদিকে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব জাহিদুল ইসলাম ২০২০ সালের জুন মাসে যোগদান করেন। এরপর থেকেই উপজেলার সকল ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তাগন সহ অফিস সহকারী, নাজির কাম ক্যাশিয়ার আসাদুল ইসলাম রনি জনাব জাহিদুল ইসলাম এর দোহাই দিয়ে নামজারী ফি ৫০০০-১০০০০ টাকা আদায় করেন। কিন্তুু জানতে চাইলে তিনি বলেন তহসিলদার এর ১০০০ টাকা, ভুমি উন্নয়ন কর ৫০০ টাকা, সার্ভেয়ারের ১০০০টাকা,তার ১০০০ টাকা নামজারী ফি১২০০ টাকা এবং খতিয়ানের সাটিফায় কপি ১০০-২০০ টাকা করে কেনা বেচা করেন। অফিস সহায়ক ও সহকারীরা নামজারি কেসসহ বিভিন্ন কাগজপত্র তৈরি করার নামে হাতিয়ে নিচ্ছেন হাজার হাজার টাকা। এদিকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে করা হুশিয়ারি দিয়েছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) জনাব জাহিদুল ইসলাম। তবে তা মানছেনা কোন কর্মকর্তা।

 

 

 

Leave a Reply