ভিক্ষুক সেজে যুবলীগ নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা !

0
250
Spread the love

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের এক নেতাকে হত্যার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের বাসায় সন্ত্রাসীরা অস্ত্র মজুদ করেছিল। দুবাইয়ে অবস্থানরত বাংলাদেশে তালিকাভুক্ত একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী ওই নেতাকে হত্যার নির্দেশ দেন।
তবে ওই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আগেই বিদেশে পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসীর তিন সহযোগীকে একটি একে-২২ রাইফেল ও পাঁচটি ক্ষুদ্র আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। গত শুক্রবার খিলগাঁওয়ের একটি বাসায় অভিযানের পর গ্রেপ্তার ওই তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদে ডিবি এই তথ্য পেয়েছে।

সন্ত্রাসীদের টার্গেট ওই নেতা গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার। অধিদপ্তরের পুরো ঠিকাদারি কাজ তিনিই নিয়ন্ত্রণ করেন। ডিবির ধারণা, ঠিকাদারি কাজে প্রভাব বিস্তারের জন্য সন্ত্রাসী গ্রুপটি অন্য কারও ভাড়াটে হিসেবে যুবলীগের ওই নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা করতে পারে। গ্রেপ্তার তিনজনকে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ওই ঠিকাদারকে সতর্কভাবে চলাফেরা করতেও বলা হয়েছে।

ডিবি জানায়, অভিযানে সন্ত্রাসী দলের সদস্য খান মো. ফয়সাল, আপন দুই ভাই জিয়াউল আবেদীন ওরফে জুয়েল এবং জাহেদ আল আবেদীন ওরফে রুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে একে-২২ রাইফেল ছাড়াও চারটি পিস্তল, একটি রিভলবার ও ৪৭ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

ডিবি-পূর্ব বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার শাহিদুর রহমান বলেন, তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদে সন্ত্রাসী কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য মিলেছে। দুবাইতে অবস্থানরত এক শীর্ষ সন্ত্রাসীর নির্দেশে যুবলীগের একজন নেতাকে খুনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে তারা।
ডিবি সূত্র জানায়, যুবলীগের ওই নেতাকে খুনের জন্য চূড়ান্ত পরিকল্পনাই করে ফেলেছিল সন্ত্রাসী গ্রুপটি। দুবাই থেকে নির্দেশ আসার পর বাংলাদেশে পলাতক সন্ত্রাসী এসএম ওমর ফারুক ললাট পুরো পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায়।

সে অনুযায়ী ওই সন্ত্রাসী অস্ত্র মজুদ এবং ওই নেতার গতিবিধিও নজরদারি শুরু করে। সন্ত্রাসী গ্রুপটি ভিক্ষুক সেজে ওই নেতার গাড়ি থামানোর পরিকল্পনা করে। পরে এলোপাতাড়ি গুলি করে তাকে হত্যার পরিকল্পনা ছিল। সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যাওয়ার সময় বোমা নিক্ষেপ করে আতঙ্ক সৃষ্টির পরিকল্পনাও করেছিল। এ জন্য এক সময়ের চরমপন্থি নেতা আনিছুর রহমান আনিচকেও তারা দলে নেয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here