উজানে যমুনা, করতোয়া, ঘাঘট আর আলাই নদীর স্রোতের তোড়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ৩৭টি স্থান ধসে গেছে। আর বাঁধের এসব ভাঙাস্থান দিয়ে ঢুকে পড়েছে চার নদীর পানি। সেই পানিতে এখন থইথই করছে বগুড়ার মাঠ-ঘাট, বসতবাড়ি। পাকা সড়কে বইছে পানির স্রোত। বেশ কয়েকটি সড়কে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে দুই লাখের বেশি মানুষ। মারা গেছে চারজন। বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে কয়েক হাজার মানুষ। বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে ট্রেন যোগাযোগ।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বগুড়ার নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে জানা গেছে, ষাটের দশকে যমুনা নদীর পশ্চিম প্রান্তজুড়ে ২২০ কিলোমিটার দীর্ঘ ব্রহ্মপুত্র ডান তীর বাঁধ বা বিআরই নির্মাণ করা হয়। এই বাঁধের ৭৬ কিলোমিটার পাউবোর গাইবান্ধা এবং ৪৫ কিলোমিটার অংশ বগুড়ার নির্বাহী প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। এ বছর যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ১২৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বগুড়ার ৪৫ কিলোমিটার অংশের ৪২টি টি স্থান দিয়ে লোকালয়ে অল্প করে পানি ঢুকতে শুরু করে।

Leave a Reply