নৃশংস ১৯৭১ সাল ১৩ এপ্রিল! চারঘাট গণহত্যা দিবস।

0
29
নৃশংস ১৯৭১ সাল ১৩ এপ্রিল! চারঘাট গণহত্যা
নৃশংস ১৯৭১ সাল ১৩ এপ্রিল! চারঘাট গণহত্যা
Spread the love
নৃশংস ১৯৭১ সাল ১৩ এপ্রিল! চারঘাট গণহত্যা
নৃশংস ১৯৭১ সাল ১৩ এপ্রিল! চারঘাট গণহত্যা

সকল শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা, ১৯৭১ সালের ১৩ এপ্রিল রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার সারদা পুলিশ একাডেমী সংলগ্ন থানাপাড়া গ্রাম আক্রমনের মধ্যদিয়ে পাক-হানাদার বাহিনীর অনুপ্রবেশ ঘটে রাজশাহী অঞ্চলে। অতর্কিত আক্রমন করে থানাপাড়া ও আশেপাশের প্রায় তিন শতাধিক নিরীহ মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এরপর পাক সেনারা সারদা পুলিশ একাডেমীতে (বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী) অবস্থান নেয়। ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে পদ্মার পাড়ে জড়ো হওয়া সহস্রাধিক মানুষকে ঐদিন বিকেলে ঘিরে ফেলে পাক সেনারা। সারিবদ্ধ করে ব্রাশ ফায়ার করে মেরে ফেলে। মৃত্যু নিশ্চিত করার লক্ষ্যে লাশের স্তুপে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় হানাদাররা। সেদিনের ওই ঘটনার পর থানাপাড়ার জীবিত প্রায় সকল পুরুষই অগ্নিক্ষোভে ঝাপিয়ে পরে মুক্তিযুদ্ধে। দেশের যে কয়েকটি উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি তার মধ্যে চারঘাট উপজেলা অন্যতম এবং চারঘাটের মধ্যে থানাপাড়ায় সবচেয়ে বেশি মুক্তিযোদ্ধার বাসস্থান।

মহান মুক্তিযুদ্ধের ঐতিহাসিক স্থান যেন প্রজন্ম হতে প্রজন্মের মাঝ থেকে বিস্মৃত না হয় তারই লক্ষ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জনাব মো: শাহরিয়ার আলম, এমপি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় ‘থানাপাড়া’কে অন্তর্ভূক্ত করেন। ১৩ এপ্রিলের শহীদদের স্বরণে নির্মাণ করেন “শহীদ স্মৃতি স্তম্ভ”। প্রায় ৩৫কোটি টাকা ব্যয়ে থানাপাড়াতে একটি ‘বি টাইপ’ এবং ‘শহীদ শিবলী চত্ত্বরে’ প্রায় ৫৮ কোটি টাকা ব্যায়ে একটি ‘এ টাইপ’ মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘর নির্মাণ প্রক্রিয়াধীন।

মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শ সমুন্নত রেখে জাতির পিতার আজন্ম লালিত স্বপ্ন একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বির্নিমানে দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা বদ্ধ পরিকর। এলক্ষ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মো: শাহরিয়ার আলম, এমপি তার নির্বাচনী এলাকা চারঘাট ও বাঘায় মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস ও স্মৃতি সংরক্ষণ, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহণ ও বাস্তাবায়ন এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরসূরীগণের সামাজিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা, সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি সহ সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্ঠনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে বাঘাতে দুই কোটি টাকা ব্যায়ে তিনতলা বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। চারঘাটেও অনুরুপ একটি মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন নির্মাণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here