দিনাজপুরে শীতের আগমন

0
224
Spread the love

দিনাজপুর জেলা হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়ায় এই অঞ্চলে শীলকালে শীতের মাত্রা একটু বেশি হয়। তাই এই এলাকার মানুষজনকে শীতের সাথে পাল্লা দিয়ে বেঁচে থাকতে হয়। দিনাজপুরে নভেম্বর মাস থেকেই শীতের মাত্রা বাড়তে থাকে। ডিসেম্বর ও জানুয়ায়িতে শীতের মাত্রা তীব্রতর হয়।

শুরু হয়ে গিয়েছে নভেম্বর মাস। তাই এখানে প্রতিদিনই শীতের মাত্রা বাড়ছে। সারা দিন শীতের মাত্রা হালকা থাকলেও রাত যত বাড়তে থাকে শীতের মাত্রা তত বাড়তে থাকে। ভোরে কুয়াশায় ঢাকা থাকে দিনাজপুর অঞ্চল। কুয়াশার মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় ঠান্ডাও একটু বেশি হয় অনুভূত হয়। সূর্য উঠার পর তা আস্তে আস্তে কমতে থাকে।

বৃহত্তর দিনাজপুর বলতে দিনাজপুর ঠাকুরগাও ও পঞ্চগড় তিন জেলাকে বুঝায়। এই অঞ্চলে শীতের মাত্রা বাড়ার সাথে রাস্তার মোড়ে মোড়ে ভাপা ও চিতই পিঠার দোকানের সংখ্যা বাড়তে থাকে। ইতোমধ্যেই রাস্তার পার্শ্বে শীতকালীন পিঠার দোকান বসতে শুরু করেছে। সেসব পিঠার দোকানগুলিতে ভীড় জমতেও শুরু করেছে।

এদিকে শহর ও গ্রাম অঞ্চলের সাধারন মানুষের এখন পর্যন্ত হালকা কাপড় পরে বাড়ী থেকে বের হলেও আর কিছু দিন পর মোটা কাপড় পরা শুরু করতে হবে। হালকা কাপড় পরেই কাজে বের হচ্ছে দিনাজপুর অঞ্চলের মানুষ। পাশাপাশি গৃহপালিত পশুর গায়ে মোটা বস্তা দিয়ে শীত নিবারনের চেষ্টা শুরু হয়ে গেছে। এখন তীব্র শীত আসার অপেক্ষায় দিনাজপুরবাসী।

দিনাজপুর মাজাডাঙ্গার গোলাম মোস্তাফা বলেন, এ বছর শীতের মাত্রা একটু বেশি হবে। কারন এ বছর অন্যান্য বছরের তুলনায় বৃষ্টি বেশি হয়েছে। তাই এ বছর শীতের তীব্রতা বেশি হতে পারে।

সদরের বাঙ্গীবেচা এলাকার মাজেদুর রহমান বলেন, ফজরের নামাজের সময় কুয়াশায় ঢাকা থাকে চারপাশ। কুয়াশার মধ্যেই আমাদেরকে নামাজের জন্য উঠতে হয়। তবে শীতের মাত্রা এখনও খুব বেশি হয়নি। আর কিছু দিন পর শীতের মাত্রা আরও বেড়ে যাবে।

দিনাজপুর সাইহারী এলাকার স্কুলছাত্র রাকিব বলেন, আমি সকালে প্রইেভেট পড়তে যাই। সকালে শীতের মাত্রা অনেক বেশি অনুভূত হয়। তবে সকাল ৮ টার মধ্যেই সূর্য উদিত হওয়ার সাথে সাথেই শীতের মাত্রা কমে যায়।

ভাপা পিঠা বিক্রেতা বিলকিস বেগম জানান, প্রতি বছর শীতের সময় আমি ভাপা ও চিতই পিঠার ব্যবসা করি। এ বছরও ভাপা পিঠার দোকান শুরু করেছি। তবে পিঠার ব্যবসা খুব বেশি জমে উঠে নাই। কারন শীতের মাত্রা বেশি হলেই পিঠার বিক্রি বাড়ে।

দিনাজপুর আবহাওয়া অফিস কর্মকর্তা তোফাজ্জুল হোসেন জানান, নভেম্বর মাস থেকেই এই অঞ্চলে শীতের মাত্রা বাড়তে থাকে। গত এক সপ্তাহে তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি কমেছে। ভোর বেলা শীতের মাত্রা অনেক বেড়ে যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here