বার্তা ডেক্সঃ তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীকে নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি দিলেও দেশে এখনো তাদের সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই। বিশেষ এই জনগোষ্ঠীর বিদ্যমান অবস্থা বিবেচনা করে তাদের কল্যাণে কোনো জাতীয় পরিকল্পনা বা সময়সীমাভিত্তিক পদক্ষেপ নেওয়ার আগে তাদের সঠিক পরিসংখ্যান জানা জরুরি। অন্যথায় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। এমনকি আদমশুমারিতেও তাদের অন্তর্ভুক্ত করা যায়নি। বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতির নিজস্ব কার্যালয়ে ‘তৃতীয় লিঙ্গ জনগোষ্ঠীর অধিকারবিষয়ক’ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

সভায় বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতির নির্বাহী পরিচালক খন্দকার এম আসাদুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এনজিওবিষয়ক ব্যুরোর পরিচালক মো. শাহাদাত হোসাইন। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জাতীয় এইডস ও এসটিডি প্রোগ্রামের পরিচালক ড. এনামুল হক। সভায় বক্তারা বলেন, তৃতীয় লিঙ্গ হিসেবে হিজড়া জনগোষ্ঠী স্বীকৃতি পেলেও তা সাংবিধানিকভাবে পূর্ণতা পায়নি। আবার যতটুকু স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে তার মধ্যেও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ব্যাংক ঋণ দেওয়ার বিধান থাকলেও তারা ঋণসুবিধা পাচ্ছেন না।

এ সময় তারা যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বক্তারা আরো বলেন, জনশুমারিতে বাংলাদেশের নারী ও পুরুষের সংখ্যা ও অনুপাত প্রকাশ করা হয়, কিন্তু নারী ও পুরুষের বাইরে যারা আছেন, তাদের কোনো পরিসংখ্যান কখনোই আমরা পাই না। শুমারি থেকে তারা বরাবরই বাদ পড়ে যান। যেখানে তাদের সংখ্যাই অজানা, সেখানে কি উন্নয়ন হবে। ভবিষ্যতে যে আদমশুমারি করা হবে সেখানে অবশ্যই তৃতীয় লিঙ্গের মানুষদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

Leave a Reply