এর মধ্যে কিছু বিধি-নিষেধ শিথিল হলেও ঈদের সময় চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বুধবার বিকালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে এই তথ্য জানিয়েছেন।

সাধারণ ছুটির মেয়াদ ৩০ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে বৃহস্পতিবার সকালে সরকারি আদেশ জারি হবে বলে জানান তিনি।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষাপটে সরকার প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব অফিস-আদালত বন্ধ ঘোষণা করে। সেই সঙ্গে সারা দেশে সব ধরনের যানবাহন চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়।

পাশাপাশি সবাইকে যার যার বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হলে বিশ্বের আরও অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষও ঘরবন্দি দশার মধ্যে পড়ে, যাকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বর্ণনা করা হচ্ছে ‘লকডাউন’ হিসেবে।

এরপর সেই ছুটির মেয়াদ কয়েক দফায় বাড়িয়ে ১৬ মে পর্যন্ত করা হয়।

তবে এর মধ্যে কিছু বিধি-নিষেধ তুলে দেওয়া হয়। ঘর থেকে বের হওয়ার সময় দুই ঘণ্টা বেড়েছে, বিপণি বিতানগুলো খুলেছে, খুলেছে মসজিদ, পোশাক কারখানা ইত্যাদি।

এতে সড়কে মানুষের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঈদের সময় চলাচল বাড়লে পরিস্থিতি ভয়াবহ হতে পারে বলে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ বলেন, “ঈদের আগের চারদিন, ঈদের দিন এবং ঈদের পরের দুইদিন- এই সাতদিন সব ধরনের যানবাহন চলাচলে কঠোরতা অবলম্বন করা হবে। এই সাতদিন প্রাইভেটকারসহ অন্যান্য যানবাহন চলাচল করতে দেওয়া হবে না।”

“যে যেখানে অবস্থান করছেন, এবার সেখানেই তাকে ঈদ করতে হবে,” বলেন তিনি।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৫ মে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।

Leave a Reply